সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

১. জাতীয় ই-তথ্যকোষ কি?
২. এই তথ্যকোষে কোন ধরনের তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে?
৩. জাতীয় ই-তথ্যকোষ কাদের জন্য তৈরী করা হয়েছে?
৪. কিভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পাবো?
৫. গুগল বা ইয়াহু সার্চইঞ্জিন-এর সাথে এই তথ্যকোষের পার্থক্য কী?
৬. এখানে কি শুধু বাংলা ভাষায় তথ্য পাওয়া যাবে?
৭. এই তথ্যকোষের অডিও বা ভিডিও কনটেন্টগুলো চালাতে কোন বিশেষ সফটওয়্যার প্রয়োজন কী?
৮. জাতীয় ই-তথ্যকোষে প্রদত্ত তথ্যগুলো কাদের তৈরি? যে কোন প্রতিষ্ঠান কি এখানে তথ্য দিতে পারবে?
৯. আমাদের তৈরীকৃত কনটেন্ট কীভাবে আমরা এই তথ্যকোষে সম্পৃক্ত করতে পারি?
১০. তথ্য কোষের তথ্য ডাউনলোড করতে কি কোনো টাকাপয়সা লেনদেনের ব্যাপার জড়িত বা কোনো মূল্য পরিশোধ করতে হয় কি?
১১. তথ্যগুলোর সত্যতা বা গুণগত মান নিশ্চিতের দায়িত্ব কার?
১২. সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে জাতীয় ই-তথ্যকোষের প্রয়োজনীয়তা কী?
১৩. জাতীয় ই-তথ্যকোষ সম্পর্কে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?

১. জাতীয় ই-তথ্যকোষ কি?

উত্তর: উত্তর: জাতীয় ই -তথ্যকোষ বাংলা ভাষায় সর্ববৃহৎ জীবন-জীবিকাভিত্তিক তথ্যভান্ডার। এক্ষেত্রে সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের জীবনভিত্তিক এবং নাগরিক জীবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্যকে সমন্বিত করার প্রয়াসে এই উদ্যোগটি গৃহীত হয়েছে। এই তথ্যকোষে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আইন ও মানবাধিকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অকৃষি উদ্যোগ, পর্যটন, কর্মসংস্থান, নাগরিক সেবা,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং শিল্প ও বাণিজ্য ইত্যাদি সংক্রান্ত তথ্য বাংলা ভাষায় সন্নিবেশিত করা হয়েছে। তথ্যগুলো অডিও, ভিডিও, এনিমেশন, তথ্যচিত্র বা লিখিত আকারে পরিবেশন করা হয়েছে। তথ্যকোষে একটি বাংলা সার্চ ইঞ্জিন সংযুক্ত করা হয়েছে যাতে কোন তথ্য খুব সহজে খুঁজে পাওয়া যায়।

জাতীয় ই-তথ্যকোষটি অনলাইন ও অফলাইন দু’টি ভার্সনে পাওয়া যাবে। অফলাইন ভার্সন ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রে দেয়া হবে, যা প্রতি ৩ (তিন) মাস অন্তর হালনাগাদ ও সমৃদ্ধ করা হবে। আর, অনলাইন ভার্সন সবার জন্য সবসময় উম্মুক্ত থাকবে।

দু’টি উপায়ে কাঙ্ক্ষিত তথ্য জাতীয় ই-তথ্যকোষ হতে খুঁজে পাওয়া যাবে:

* কাঙ্ক্ষিত তথ্যের প্রধান প্রধান শব্দ (কি-ওয়ার্ডস) লিখে খোঁজা
* নির্দিষ্ট বিষয় ভিত্তিক স্থানে ক্লিক করে খোঁজা

যেমন, জাতীয় ই-তথ্যকোষের শুরুর পাতায় ‘ধান চাষ’ লিখে পাশে থাকা খুঁজুন অংশে মাউস দিয়ে চাপলে ধান চাষ নিয়ে কোষে থাকা সকল তথ্য যেমন, বর্ণনামূলক তথ্য, অডিও, ভিডিও, এনিমেশন ইত্যাদির একটি বর্ণনাসহ তালিকা বের হয়ে আসবে। সেখান থেকে ব্যবহারকারী তার কাঙ্ক্ষিত তথ্য খুঁজে পাবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারবেন।

বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের অনেক দপ্তর বা অধিদপ্তর স্বতঃস্ফুর্তভাবে তাদের তৈরিকৃত ও প্রকাশিত গবেষণাধর্মী তথ্য দিয়ে তথ্যকোষটির সমৃদ্ধিতে সহায়তা করছেন। এই সব তথ্য ও সেবা সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ঘটানোর পাশাপাশি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

২. এই তথ্যকোষে কোন ধরনের তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে?
বর্তমানে এই তথ্যকোষে মূলত: জীবিকাভিত্তিক এবং নাগরিক জীবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্যকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। এই তথ্যকোষে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আইন ও মানবাধিকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অকৃষি উদ্যোগ, পর্যটন, কর্মসংস্থান, নাগরিক সেবা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং শিল্প ও বাণিজ্য ইত্যাদি সংক্রান্ত তথ্য বাংলা ভাষায় সন্নিবেশিত করা হয়েছে। এছাড়াও, গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ক তথ্যাদি এ কোষে থাকবে। উল্লেখ্য, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চাহিদাভিত্তিক তথ্যাদি নিরুপনের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে এই কোষে নতুন তথ্যাদি সংযোজিত হবে। ই-কোষের কনটেন্ট আপডেট এবং এর সমৃদ্ধকরণ বিষয়টি একটি চলমান প্রক্রিয়া।
 

৩. জাতীয় ই-তথ্যকোষ কাদের জন্য তৈরী করা হয়েছে?
উত্তর: সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ১১ই নভেম্বর, ২০১০ তারিখে সারা দেশে একযোগে ৪৫০১টি ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন। এছাড়াও, বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আরো ২০০০টি তথ্যকেন্দ্র তথ্যসেবা প্রদান করছে। এসব কেন্দ্রসমূহ হতে মূলত সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার তথ্য প্রদান করা হচ্ছে। কাজেই, এ-সকল তথ্যকেন্দ্রে একটি সমন্বিত তথ্যভান্ডার থাকা প্রয়োজন। সে লক্ষ্যেই, এটুআই প্রকল্পের উদ্যোগে জাতীয় ই-তথ্যকোষ শীর্ষক এই তথ্যভাণ্ডারটি (ন্যাশনাল ই-কনটেন্ট রেপোজেটরি) তৈরি করা হয়েছে। এ কোষটি অফলাইন এবং অনলাইন ভার্সনে থাকবে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এই জাতীয় ইলেকট্রনিক তথ্য ও জ্ঞান ভাণ্ডারটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।
 

৪. কিভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পাবো?
উত্তর: ওয়েবের এড্রেস বার-এ গিয়ে www.infokosh.bangladesh.gov.bd এই ঠিকানা লিখে ব্রাউজ করুন।

ই-তথ্যকোষের নিচের অংশে প্রদত্ত তথ্যসমূহ বিষয়ভিত্তিকভাবে বিভিন্ন শ্রেনিতে সাজানো হয়েছে। আপনি যে বিষয়ে তথ্য চান সে বিষয় অনুযায়ী এ অংশে ক্লিক করে আপনি আপনার কাঙ্খিত তথ্য খুঁজে পাবেন। তাছাড়াও, এই তথ্যকোষে যে টেক্সটবক্সটি আছে সেখানে বাংলায় কী ওয়ার্ড (keyword) দিয়ে ‘তথ্য খুঁজুন’ বাটনে ক্লিক করলে কাঙ্খিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যাবে। তবে, এখানে সার্চ ইঞ্জিনটির তথ্য খোঁজার ক্ষেত্রে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। অনেকসময় সার্চ ইঞ্জিনটি কাঙ্খিত তথ্যের বাইরে কিছু অসামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য নিয়ে আসতে পারে। এ সার্চ ইঞ্জিনটি যাতে পরিপূর্ণভাবে কার্যকরী হয়ে ওঠে সেজন্য কার্যক্রম চলছে।
 

৫. গুগল বা ইয়াহু সার্চইঞ্জিন-এর সাথে এই তথ্যকোষের পার্থক্য কী?
বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন বিষয়ে কনটেন্ট তৈরি করছে। এসব ডিজিটাল কনটেন্ট একটি স্থানে সমন্বিত করার প্রয়াসে ই-তথ্যকোষ তৈরির উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। এ সমস্ত কনটেন্ট বাংলা ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। এই কনটেন্টসমূহ সহজে খুঁজে পাবার জন্য সার্চ কম্পোনেন্ট সংযুক্ত করা হয়েছে। এই সার্চ কম্পোনেন্ট শুধুমাত্র ই-তথ্যকোষে প্রদত্ত কনটেন্টসমূহ খুঁজে নিয়ে আসতে সক্ষম। পক্ষান্তরে, গুগল বা ইয়াহু মূলত: একটি সার্চইঞ্জিন যা যেকোন ওয়েব থেকে সংশ্লিষ্ট তথ্য খুঁজে নিয়ে আসতে সক্ষম।
 

৬. এখানে কি শুধু বাংলা ভাষায় তথ্য পাওয়া যাবে?
উত্তর: প্রাথমিকভাবে এখানে শুধু বাংলা ভাষায় তথ্য রাখার জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে ইংরেজি তথ্য পাওয়া যেতে পারে। যেসব তথ্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু বাংলা ভাষায় পাওয়া যায়নি শুধুমাত্র সেসমস্ত ইংরেজি ভাষার তথ্যাদির লিঙ্ক রাখা হয়েছে। চূড়ান্তরুপে, ই-তথ্যকোষ বাংলা ভাষায় সম্পন্ন করা হবে।
 

৭. এই তথ্যকোষের অডিও বা ভিডিও কনটেন্টগুলো চালাতে কোন বিশেষ সফটওয়্যার প্রয়োজন কী?
উত্তর: এই তথ্যকোষের অডিও বা ভিডিও কনটেন্টগুলো চালাতে কোন বিশেষ সফটওয়্যারের প্রয়োজন নাই।
 

৮. জাতীয় ই-তথ্যকোষে প্রদত্ত তথ্যগুলো কাদের তৈরি? যে কোন প্রতিষ্ঠান কি এখানে তথ্য দিতে পারবে?
উত্তর: বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের তৈরিকৃত কনটেন্ট স্বত:স্ফূর্তভাবে এই তথ্যকোষে প্রদান করেছেন। মূলত: এসব প্রতিষ্ঠান জনস্বার্থে যেসব নাগরিক সেবা প্রদান করে থাকেন এবং এ সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে যেসব কনটেন্ট তৈরি করেছেন সেসব কনটেন্টসমূহ তারা এই তথ্যকোষে প্রদান করেছেন। এ পর্যন্ত তথ্যকোষে যেসব প্রতিষ্ঠান কনটেন্ট প্রদান করেছেন তা দেখতে ক্লিক করুন http://www.infokosh.bangladesh.gov.bd/member_list.php.

যেসব প্রতিষ্ঠান নাগরিক সেবা প্রদানের জন্য কনটেন্ট তৈরি করে থাকেন সেসব প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের কনটেন্ট ই-তথ্যকোষে প্রদান করতে পারবেন। তবে, কনটেন্টের গুণগতমান এবং বিশেষত্ব অনুযায়ী তা আপলোড করা হয়ে থাকে।
 

৯. আমাদের তৈরীকৃত কনটেন্ট কীভাবে আমরা এই তথ্যকোষে সম্পৃক্ত করতে পারি?
উত্তর: ই-তথ্যকোষের অংশগ্রহণ(http://www.infokosh.bangladesh.gov.bd/member.php) পাতাটিতে গিয়ে আপনার প্রতিষ্ঠানটিকে সদস্য হতে হবে। সদস্য হওয়ার পর আপনাকে একটি ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড প্রদান করা হবে। তারপর এ্যাডমিন প্যানেল থেকে উক্ত ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে আপনি আপনার কনটেন্ট সাবমিট করতে পারবেন।
 

১০. তথ্য কোষের তথ্য ডাউনলোড করতে কি কোনো টাকাপয়সা লেনদেনের ব্যাপার জড়িত বা কোনো মূল্য পরিশোধ করতে হয় কি?
উত্তর: তথ্য লেনদেন বা ডাউনলোড করতে কোনো টাকাপয়সা লেনদেন বা কোনো মূল্য পরিশোধ করতে হবে না।
 

১১. তথ্যগুলোর সত্যতা বা গুণগত মান নিশ্চিতের দায়িত্ব কার?
উত্তর: যেহেতু বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের কনটেন্টসমূহ এখানে প্রদান করেছে সেহেতু এগুলোর সত্যতা বা গুনগত মান নিশ্চিতকরণের বিষয়টি তাদের দ্বারা নিশ্চিত করা হয়েছে। তথাপি, যদি কোন বিভ্রান্তকর বা অস্পষ্ট কোন তথ্য প্রদত্ত হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে মতামত প্রদান করা হলে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য যে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রথিতযশা ব্যক্তিবর্গদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় ই-কনটেন্ট উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হচ্ছে।
 

১২. সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে জাতীয় ই-তথ্যকোষের প্রয়োজনীয়তা কী?
উত্তর: মানুষের জীবন ও জীবিকার পথ সহজ করতে তথ্যের ভূমিকা অপরিসীম। আর এসব তথ্য মানুষের কাছে অবাধ ও সহজে পৌঁছে দিতে পারে প্রযুক্তি। এ উপলব্ধি থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সকল ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহারকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। ঘোষনা করেছেন রুপকল্প ২০২১। ডিজিটাল বাংলাদেশের নির্মানে সরকার ইতোমধ্যে বেশ কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত ১১ নভেম্বর,২০১০ সালে সারাদেশের ৪৫০১ টি ইউনিয়ন পরিষদে গড়ে উঠেছে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র যার বড় একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে সে এলাকার তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন ঘটানো। এ উদ্দেশ্যেই জীবনজীবিকাভিত্তিক তথ্য সহজে একটি স্থান থেকে প্রাপ্তির লক্ষ্যে জাতীয় ই-তথ্যকোষ তৈরি করা হয়েছে। এখানে যেসব তথ্য ও সেবা সন্নিবেশিত হয়েছে তা মূলত: জনগোষ্ঠীর চাহিদার উপর ভিত্তি করে। জনগোষ্ঠীর এসব তথ্য ব্যবহারে সহজগম্যতা এবং উপযোগিতা বিবেচনা করে তথ্যগুলো অডিও, ভিডিও, এনিমেশন, তথ্যচিত্র বা লিখিত আকারে সহজে বোঝার উপযোগী করে পরিবেশন করা হয়েছে। যেমন, একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর জন্য টেক্সট বা ভিডিও কনটেন্টের উপযোগিতার চেয়ে অডিও কনটেন্টের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। বেশ কিছু তথ্যচিত্রও তথ্যকোষে সংযুক্ত করা হয়েছে যা জনগোষ্ঠীর তথ্য চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে। একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর তথ্যভান্ডার হিসেবে কাজ করবে এই ই-তথ্যকোষ।
 

১৩. জাতীয় ই-তথ্যকোষ সম্পর্কে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?
ই-তথ্যকোষের বর্তমান অবস্থাকে বলা যেতে পারে যাত্রা শুরুর পর্ব। এখানে বিদ্যমান কনটেন্ট এর গুনগত মান ও উপস্থাপন ভঙ্গি, বানান রীতি ইত্যাদি বিষয়াদি নিয়ে যেকারো প্রশ্ন থাকতেই পারে। ই-তথ্যকোষের সার্বিক মান উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি জাতীয় ই-কনটেন্ট উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের একটি কনটেন্ট গেটওয়ে হিসেবে পরিণত হবে। এই গেটওয়ে বলে দেবে কি তথ্য আপনার প্রয়োজন বা তা কিভাবে পাওয়া সম্ভব হবে। তাছাড়াও, এই কনটেন্টসমূহ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিবর্গ ব্যবহার করতে পারেন সে জন্য স্ক্রীন-রিডিং সুবিধা সংযোজন করা হবে এবং সহজেই যাতে মোবাইলের মাধ্যমে এ কনটেন্ট শোনা এবং দেখা যায় সে ব্যবস্থাও তৈরি করা হবে।