বিশেষ সতর্কতা বার্তা

১. রাসায়নিক বালাইনাশক পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্বক হুমকি। তাই বিশেষজ্ঞের সুনির্দিষ্ট পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার করবেন না। ফসলের বালাই ব্যবস্থাপনায় পরিবেশবান্ধব ( অরাসায়নিক ) পদ্ধতিসমূহকে বিশেষ গুরুত্ব দিন।
২. রাসায়নিক বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে জেনে নিন, তা প্রয়োগ করলে ফসলের উপকারি পোকা-মাকড়ের খুব বেশি ক্ষতি হবে কিনা।
৩. বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এর বোতল/ কনটেইনারের গায়ে লেখা তথ্যসমূহ অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে পড়ে নিন।
৪. বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা যেমন: চোখে চশমা, হাতে গ্লোবস, মাথায় ক্যাপ বা হেলমেট ইত্যাদি পড়ে নিন।
৫. বাতাসের প্রতিকুলে (বাতাস যে দিকে যায় তার বিপরীতে) বালাইনাশক স্প্রে করবেন না।
৬. তীব্র বায়ু প্রবাহের সময় বালাইনাশক স্প্রে করবেন না।
৭. বালাইনাশক স্প্রে করার সময় কোন কিছু খাওয়া বা পান করা থেকে বিরত থাকুন।
৮. বালাইনাশক প্রয়োগকালে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
৯. বালাইনাশক স্প্রে করা ক্ষেত সাইন বোর্ড বা লাল ফ্লাগ দিয়ে চিহ্নিত করুন।
১০. অব্যবহৃত বালাইনাশক তার কনটেইনারেই নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করুন এবং প্রয়োজনে মেয়াদ উত্তীর্ণের আগেই তা ব্যবহার করুন।
১১. সবধরনের বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
১২. বালাইনাশকের খালি কনটেইনার নিরাপদভাবে ধ্বংশ করুন।
১৩. বালাইনাশক স্প্রে করার পর ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি পানির উৎস ( নদী বা পুকুর ) থেকে দূরে পরিস্কার করুন।
১৪. রাসায়নিক বালাইনাশক ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি কমিয়ে আনার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করুন।

ঘোষনা : কৃষকের জানালা কৃষকদের ফসলের সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান দেয়ার সহায়ক উপকরণ মাত্র । সমস্যা সমাধানে বিশেষজ্ঞগণের পরামর্শই চুড়ান্ত ।

মূল পাতায় ফিরে চলুন